Select Page

পেশাদার এবং অভিজ্ঞ মাদকাসক্তি এবং মানসিকভাবে সুস্থ রাখার কাউন্সেলর/চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানীগণ/সাইকোথেরাপিস্টগণ

উচ্চ মানের দক্ষতাসম্পন্ন এবং নিজেদের কাজের জন্য সমাদৃত পেশাজীবী যারা বহু বছর ধরে মানসিক সুস্থতা সৃষ্টিতে কাজ করছেন তাদের সমন্বয়ে দি কেবিন ঢাকা’র বিশেষজ্ঞ দল তৈরি করা হয়েছে । এছাড়াও তারা (দি কেবিন ঢাকা ) দি কেবিন আসক্তি সেবা দলের যা বৃহত্তর দল নিয়ে তৈরি হয়েছে। আমাদের অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের সম্পর্কে আরোও বিস্তারিত জানতে আমাদের নীচের লিংকগুলোতে ক্লিক করুন:

নাবিলা তারান্নুম খান

নাবিলা তারান্নুম খান

প্রধান বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানী

নাবিলা তারান্নুম খান-প্রধান বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানী

নাবিলা তারান্নুম খান (এমএসসি, এমএস, এম ফিল) একজন বাংলাদেশী চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানী এবং বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটি’র (বিসিপিএস) একজন সাধারণ সদস্য। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং এই প্রতিষ্ঠানে পড়াকালীন সময়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র দপ্তর হতে তার পড়াশোনায় মেধাসম্পন্ন ফলাফল এবং এমফিল গবেষণার জন্য সম্মানিত প্রধানমন্ত্রী স্কলারশীপ অর্জন করেছেন, এর পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ তথ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় হতেও স্কলারশীপ এর জন্য মনোনীত হয়েছিলেন।

২০০৩ সাল থেকে তিনি মনোবৈজ্ঞানিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিমাপণ, চিকিৎসা এবং গবেষণা কাজে নিয়োজিত আছেন এবং বিভিন্ন বিষয়ের উপর পেশাগত প্রশিক্ষণও অর্জন করেছেন, যেমন: মাইন্ডফুলনেস থেরাপী, ট্রানজ্যাকশনাল এ্যানালাইসিস, সাইকোড্রামা, ড্রামা এবং প্লে থেরাপী, ক্রিয়েটিভ থেরাপী এবং নিউরোসাইকোলজিক্যাল তত্ত্ব এবং পরিমাপন প্রক্রিয়া, এছাড়া আরোও অন্যান্য বিষয়ে।

২০০৪ থেকে ২০১২ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের দুটি প্রাইভেট ক্লিনিকে সিনিয়র কনসালটেন্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট এবং কো-অর্ডিনেটর হিসেবে কাজ করেছেন। যেখানে তিনি সফলতার জন্য চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে কগনিটিভ বিহেভিয়র থেরাপি এবং অন্যান্য সমন্বিত চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে মানসিক রোগে আক্রান্ত রোগীদের নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি মাদক এবং নেশায় নির্ভরতা নিয়ে কাজ করেছেন।

নাবিলা বেশ কয়েকটি বৃহত্তম এন.জি.ও-তে কাজ করেছেন, যেখানে তার বিবিধ সংস্কৃতির শরণার্থীদের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা হয়েছে। তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুপারভিশনও প্রদান করেছেন।

তার পুনর্বাসনের উপর বিশেষ জ্ঞান আছে এবং মাদকাসক্তি বিষয়ে তিনি ১২ ধাপের মডেলের উপর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত (কগনিটিভ বিহেভিয়র থেরাপির উপর ভিত্তি করে) ।

তিনি ঢাকায় থাকেন।

মিতা মন্ডল- চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান

মিতা মন্ডল (বিএসসি, এমএস, এম ফিল) একজন বাংলাদেশী চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানী যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছেন। মিতা ২০১০ সাল হতে সাইকোথেরাপী প্রদান করছেন এবং ২০১৩ সাল থেকে প্রাইভেট প্র্যাকটিস শুরু করেছেন । ২০১২-২০১৩ সালে তিনি “মধুমিতা প্রজেক্ট”-এর একজন কাউন্সেলর হিসেবে ভবঘুরে মাদকাসক্তদের কাউন্সেলিং সেবা প্রদান করেছেন।

মিতা মন্ডল তার উন্নত মানের প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতার ফলে মাদকাসক্ত রোগীদের ব্যক্তিগত চাহিদা কেন্দ্রিক, সমন্বিত এবং কার্যকরী চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রণয়নে সক্ষম। কাংখিত ফলাফল অর্জনে ক্লায়েন্টদেরকে সাথে নিয়ে মিতা বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে থাকেন যার মধ্যে রয়েছে কগনিটিভ বিহেভিয়র থেরাপী এবং সাইকোড্রামা’র কৌশল ।

তিনি ক্লায়েন্টের সাথে মিলে সহমর্মিতাসম্পন্ন চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরন করেন ক্লায়েন্টের যেসব ধরন এবং আচরন তার জীবনে নেতিবাচক ফলাফল বয়ে আনছে তা সনাক্ত করতে এবং ক্লায়েন্টকে নতুন আচরন ও চিন্তার ধরন বুঝে ও ব্যবহার করে সুখী, সুস্থ এবং উৎপাদনশীল আসক্তি বা মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে মুক্ত জীবনের দিকে নিয়ে যেতে সাহায্য করে।

মিতা মন্ডল

মিতা মন্ডল

চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানী

অ্যালাসটেইর মোরডে

অ্যালাসটেইর মোরডে

প্রোগ্রাম পরিচালক, দি কেবিন ঢাকা

অ্যালাসটেইর মোরডে-প্রোগ্রাম পরিচালক, দি কেবিন ঢাকা

অ্যালাসটেইর মোরডে (বিএ অনার্স, এফডিএপি) একজন সার্টিফাইড এবং অনুমোদিত মাদকাসক্তি কাউন্সেলর। একজন মাদকাসক্তকে ডিটক্স থেকে শুরু করে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় সকল যত্নের জন্য যুক্তরাজ্য ভিত্তিক চার ধরণের চিকিৎসা ব্যবস্থার সবগুলোতে তিনি ১০ বছরের বেশী সময় ধরে কাজ করেছেন।

২০১০ সালে ইউকে-তে অনুষ্ঠিত জাতীয় চিকিৎসা প্রদানকারী সংগঠন-এর একটি সম্মেলনে অ্যালাসটেইর মোরডে প্রধান বক্তা ছিলেন যেখানে তিনি উত্তরপূর্ব লন্ডনে বসবাসকারী মাদকাসক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে হৃদযন্ত্র সঞ্চালনকারী খেলা চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহার করা বিষয়ক পাইলট প্রজেক্টের ফলাফল উপস্থাপন করেছিলেন। তার মডেলকে দীর্ঘমেয়াদী আসক্তি থেকে আরোগ্যের ক্ষেত্রে জাতীয় স্বাস্থ্য মডেল হিসেবে গ্রহন করা হয়েছে।

পরবর্তীতে ২০১০ সালে, অ্যালাসটেইর সহ প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে উত্তর থাইল্যান্ডে “দি কেবিন চিয়াং মাই” প্রতিষ্ঠা করেন, একটি ৫০ আসন বিশিষ্ট চিকিৎসা কেন্দ্র চালু করেন, যা রাসায়নিক এবং প্রক্রিয়া আসক্তি উভয় চিকিৎসার ব্যপারে সব আসক্তির মডেল হিসেবে রিকভারি জোনের ব্যবহার করার ক্ষেত্রে অগ্রভূমিকা পালন করে। ১২ ধাপ আসক্তি নিবৃত্তির মূলনীতিগুলোকে ভাগ করার জন্য সিবিটি’র পরিভাষাগুলো ব্যবহার করে দি কেবিন এর কর্মপরিকল্পনা দি আমেরিকান সোসাইটি অফ অ্যাডিকশন মেডিসিন এর ২০১১ জন˗নীতিতে আসক্তির উপর সর্বাধুনিক গবেষনার ফলাফলের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। অল্প সময়ে দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল পাবার জন্য যা বিশেষ সাংস্কৃতিক পরিবেশে আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করে থাকে।

২০১১ সালে অ্যালাসটেইর থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রায়াত্ত্বভাবে পরিচালিত থানিআরাক হাসপাতালের চিকিৎসার সাথে সম্পৃক্ত বিশেষজ্ঞদলকে অ্যালকোহল আসক্ত এবং মাদকাসক্তদের জন্য সিবিটি এবং ১২ ধাপের ব্যবহার বিষয়েও প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছেন এবং এখন ঢাকা’র মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ড (ওএনসিবি)-অফিসের এর সাথে সরাসরি কাজ করছেন।

অ্যালাসটেইর মাদকাসক্তি নিয়ে লিখেন যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় যেমন- ড্রিংক ড্রাগ নিউজ, সিএনএন এবং এশিয়ান করোসপনডেন্স। এর পাশাপাশি তিনি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া এবং তার নিজের দেশ পাশ্চাত্যের বিভিন্ন রেডিও, টেলিভিশনে এবং সম্মেলনে বক্তব্য দিয়ে থাকেন।