Select Page

কেন ঢাকাবাসী মেথাএমফেটামিন/আইস/ইয়াবা আসক্তির ফলপ্রসু চিকিৎসা দি কেবিন ঢাকায় খুঁজে পাবেন

গত ১০-১৫ বছরে সারা পৃথিবীতে মেথাএমফেটামিন (মেথ, ইয়াবা, আইস, ক্রিস্টাল) অপব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং একই সাথে এর চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। ২০০৮ সালে বাংলাদেশে প্রায় ৩৬,০০০ ইয়াবা জব্দ করা হয়, ২০১২ তে এটা ২ মিলিয়ন ছিল – এটা থেকে বোঝা যায় নেশার জনপ্রিয়তা কতটা বেড়েছে। এই জনপ্রিয়তা একটু আশ্চর্যজনক। যা হোক, আমরা মেথ-এর কথা বিবেচনা করলে বলতে পারি যে, এটি বিশ্বের অন্যতম সর্বাধিক আসক্তি সৃষ্টিকারী শারিরিকভাবে ক্ষতিকর নেশাদ্রব্য। তারপরও মানুষ এটা পরখ করেই যাচ্ছে এবং সুবিশাল জনগোষ্ঠী খুব দ্রুত এর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।

মেথ আসক্তি সাধারনত অন্যান্য নেশা আসক্তি শুরু হওয়ার পর সেগুলোর সাথে সহ-নেশাদ্রব্য হিসেবে গৃহীত হতে দেখা যায়। অর্থাৎ বেশিরভাগ মানুষ মেথের মাধ্যমে নিষিদ্ধ নেশার জগতে প্রবেশ করে না। কিন্তু মেথ একবার তাদের পছন্দের তালিকায় এলে, এটি একচেটিয়াভাবে ব্যবহৃত হতে থাকে।

মেথাএমফেটামিন নাক, মুখ বা ইনজেকশনের মাধ্যমে এবং বিভিন্নভাবে গৃহীত হয়। মেথের প্রভাব অন্যান্য উত্তেজক যেমন কোকেইনের মত কিন্তু এটি চড়া (উত্তাল, চমৎকার) দ্রুতগতি সম্পন্ন।মেথ গ্রহনের পর তিন থেকে ছয় ঘন্টা পর্যন্ত এর প্রভাব থাকে এবং এর তীব্রতা ফিকে/হালকা হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে পুনরায় এটি গ্রহণের আকাংখা অনুভূত হয়। যেহেতু মেথের উত্তালতা খুবই প্রলোভন-দায়ক/মনোহর/মুগ্ধকর, তাই এর তুলনায় স্বাভাবিক অনুভূতিগুলো অপ্রীতিকর লাগে এবং মেথের সেই উত্তালতা ধরে রাখাই একমাত্র বিকল্প হিসেবে পাওয়ার আকাংখা তৈরি হয়।

কিছু ক্লায়েন্ট/গ্রহীতা তাদের অনুভূতি বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন যে, তারা পরীক্ষামূলকভাবে চার ধাপে নেশাদ্রব্য গ্রহণের সময় অল্প অল্প করে শুরু করে ও পরে তার সীমারেখা অতিক্রম করেছেন। যারা মেথ গ্রহণের উপর সবে নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করেছেন যত দ্রুত সম্ভব তাদের উচিত পুরোপুরি আসক্ত হওয়া থেকে বাচাঁর জন্য মেথ আসক্তির চিকিৎসা নেয়া।

প্রকৃতপৰে মথ উইথড্রয়াল/প্রত্যাহার থেকে বেরিয়ে আসা জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ নয়, কিন্তু এই সময়টা (Detox period) এক থেকে দুই সপ্তাহ, যা অত্যন্ত অস্বস্থিকর। প্রত্যাহার পর্যায়ের সাধারণ উপসর্গগুলো বিরক্তি, বিষন্নতা, ঘুমের সমস্যা (অতিরিক্ত ঘুম), সন্দেহ (Paranoid) এবং মনোযোগে অসুবিধা হতে পারে। মেথ প্রত্যাহারের জন্য সাধারনত হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয় না। কিন্তু এই সময়ে নিরাপদ পরিবেশে থাকাটা নেশাদ্রব্য গ্রহণের তীব্র আকাঙ্খাকে পরাস্ত করতে এবং সম্ভাব্য পুনঃপাতিত হওয়াকে কমাতে সাহায্য করতে পারে।

দি কেবিন ঢাকায় কার্যকরী মেথ আসক্তি চিকিৎসা

দি কেবিন ঢাকা – স্বনির্বাচিত থেরাপি কার্যক্রম ব্যবহার করে, যা মেথ (বা অন্যান্য) আসক্তি হতে বিরত হওয়ার লক্ষ্যে এবং মেথ (বা অন্যান্য) চিকিৎসায় কগনেটিভ বিহেভিয়ার থেরাপির উপর ভিত্তি করে একক এবং দলগত উভয় ধরনের চিকিৎসাই সুপারিশ করা হয়েছে এবং বহির্বিভাগের রোগী হিসেবে চিকিৎসায় ছয় থেকে আট সপ্তাহ লাগে। বহির্বিভাগীয় রোগী হিসেবে চিকিৎসা নেয়ার সময় যে ক্লায়েন্ট পুনঃ পাতিত হওয়ার শক্তিশালী প্রলোভন খুঁজে পাবেন এবং যাদের নিরাপদ পরিবেশের প্রয়োজন তাদেরকে চিয়াংমাইতে কেবিনের আবাসিক কার্যক্রমের জন্য সুপারিশ করা হয়।

মেথ প্রত্যাহার সাধারণত জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ নয়, কিন্তু আমরা বিশেষজ্ঞ পরামর্শক মনোচিকিৎসক নিযুক্ত করি, যিনি ঔষধ নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। যা এই সময়ের অস্বস্থিগুলোকে কমাতে পারে।

মেথ আসক্তির আবাসিক পুনর্বাসন চিকিৎসা কেন্দ্র – দি কেবিন চিয়াংমাই

দি কেবিন চিয়াং মাই

দি কেবিন চিয়াংমাই হচ্ছে এশিয়ার নেতৃস্থানীয় আবাসিক চিকিৎসা সেবা, এটি থাইল্যান্ডের চিয়াংমাইতে অবস্থিত। এর সুবিধাগুলো সুসজ্জিত এবং এটি বহতা পিং নদীর তীরে অবস্থিত। নিয়োগপ্রাপ্ত পেশাজীবীরা পশ্চিমাধারার এবং নেশা আসক্তি চিকিৎসায় অনেক বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। আমাদের চিকিৎসা কার্যক্রমে কগনেটিভ বিহেভিয়ার থেরাপির সাথে আধুনিক সুপরিচিত ১২ ধাপ অর্ন্তভূক্ত। দি কেবিন চিয়াংমাই সুসজ্জিত চিকিৎসা কার্যক্রম তৈরির জন্য শারিরিক কার্যক্রম এবং মাইন্ডফুলনেস ধ্যানসহ আরও বিভিন্ন ধরনের সার্বিক চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করে, যা আমাদের ক্লায়েন্টদের মন, শরীর এবং আত্মাকে আরোগ্য/সুস্থ করে।

 

এখনই সাহায্য নিন

মেটাএমফেটামিন আসক্তির চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পর্কে আরো জানতে বাধ্যবাধকতাহীন পরিমাপনের/অ্যাসেসমেন্টের জন্য আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন এবং দেখুন কিভাবে আমরা আপনাকে সাহায্য করতে পারি। আরোগ্যের পথে এখনই আপনার যাত্রা শুরুর জন্য এই পৃষ্ঠার উপরে ডানদিকে সংক্ষিপ্ত ফরমটি পূরণ করুন, অথবা সরাসরি আমাদেরকে ফোন করুন এই নাম্বারে +০১৭৭১৫২৮০৮৬

এখনই আমাদের ফোন করুন
+৮৮০১৭৭১৫২৮০৮৬

আমাদের পুস্তিকা ডাউনলোড করুন