Select Page

কেন ঢাকাবাসী দি কেবিন ঢাকায় ইন্টারনেট আসক্তির কার্যকরী চিকিৎসা পাবে

যদিও ইন্টারনেট ব্যবহার মানুষের কর্মৰমতার সাথে সাথে মানুষের জীবনমানকেও ব্যপকভাবে বাড়িয়ে তুলেছে, আবার অতিরিক্ত কম্পিউটার বা ইন্টারনেট ব্যবহার সমস্যাদায়ক, বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টিকারী, ৰতিকর হতে পারে৷ গত দশ বছরে ইন্টারনেট আসক্তি অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে৷ চিকিত্‍সা না নিলে ইন্টারনেট আসক্তি একজন মানুষের জীবনে মারাত্মক ৰতিকর প্রভাব ফেলতে পারে৷

ইন্টারনেট আসক্তির সাধারণ ধরনসমূহঃ

  • ইন্টারনেট/প্রযুক্তিগত যৌন আসক্তিঃ বারবার ইন্টারনেট পর্ণোগ্রাফি, প্রাপ্তবয়স্কদের আলোচনার সাইট বা প্রাপ্তবয়স্কদের কল্পনার রোল˗প্লে, বাস্তব জীবনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কগুলোর উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
  • ইন্টারনেট/পরাবাস্তব-সম্পর্কে আসক্তিঃ ইন্টারনেট/পরাবাস্তব সামাজিক সম্পর্ক, আলোচনা/চ্যাট রুম, এবং মেসেজ লেনদেন বেশি মাত্রায় করা, যখন ইন্টারনেট/পরাবাস্তব বন্ধুদের সাথে সম্পর্কের গুরুত্ব বেড়ে যায়, বাস্তবের পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সম্পর্কের তুলনায়।
  • ইন্টারনেট বাতিকঃ যেমন অতিমাত্রায় ইন্টারনেটে খেলা, স্টক বানিজ্য বা কেনাকাটার অনলাইন সাইটগুলো যেমন ˗ই-বে ব্যবহার করা প্রায়ই ব্যক্তির আর্থিক এবং চাকরি-সম্পর্কিত সমস্যার সৃষ্টি করে।
  • তথ্য ভারাক্রান্ত অবস্থা/ইনফরমেশন ওভারলোডঃ অতিমাত্রায় ওয়েবসাইট বা তথ্যপাতাগুলোতে খোঁজাখুঁজি ব্যক্তির কর্মোত্‍পাদনশীলতা কমায় এবং পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সামাজিক যোগাযোগ হ্রাস করে।
  • অন-লাইন গেইমিংঃ বিভিন্ন অনলাইন কেন্দ্রিক খেলা৷ যেমন- কল অব ডিউটি বা ওয়ারক্রাফট কিশোর-কিশোরী এবং প্রাস্তবয়স্কদের মাঝে একই রকম বড় ধরনের অমনোযোগিতা তৈরি করছে।
  • কম্পিউটার আসক্তিঃ অফলাইনে কম্পিউটার গেইম যেমন সলিটেয়ার বা মাইনসউইপার খেলতেই থাকা অথবা মাত্রাতিরিক্ত কম্পিউটার প্রোগ্রামিং করতে থাকা।
  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম/সোশ্যাল নের্টওয়াকঃ সাম্প্রতিক প্রজম্মের জন্য নতুন এবং খুবই সত্যিকারের একটি বিপদ এই পরাবাস্তব সাইটগুলো; যেমন ফেসবুক।

গত ৪/৫ বছরে কম খরচে স্মার্টফোন এবং ওয়াইফাই সুবিধা খুব সহজলভ্য হওয়ার কারনে ইন্টারনেট সম্পর্কিত আসক্তি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এই আসক্তি কর্মীর দক্ষতা, ছাত্রদের সাফল্য এবং জীবনের সন্তুষ্টির উপর চরম প্রভাব ফেলছে।

চায়না, কোরিয়া এবং তাইওয়ান ইন্টারনেট আসক্তির জন্য চিকিৎসা দিলেও, দি কেবিন ঢাকা এই প্রথম বাংলাদেশে এই সমস্যার জন্য বর্হিবিভাগীয় পর্যায়ে একটি কাঠামোবদ্ধ চিকিৎসা কার্যক্রমের ব্যবস্থা করেছে।

আমাদের ব্যক্তি ভিত্তিক সেবা/কার্যক্রম কগনেটিভ বিহেভিয়ার থেরাপির উপর ভিত্তি করে প্রণয়ন করা হয়েছে।এ ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টদের সাইবার আসক্তি সংক্রান্ত আচরন, এর উৎস এবং এর অন্তর্নিহিত প্রক্রিয়াকে মোকাবেলা এবং পরিবর্তন করার জন্য তাদের চাহিদা এবং জীবনযাত্রার বিষয়টাকেও বিবেচনায় আনা হয়। ক্লায়েন্টরা আর কখনই কম্পিউটার বা ইন্টারনেট ব্যবহার করবে না এটা থেরাপির লক্ষ্য নয়। তবে এক্ষেত্রে আচরনে কাঙ্খিত পরিবর্তন বা সীমারেখা তৈরি করা সম্ভব।

বহির্বিভাগে ইন্টারনেট আসক্তি থেরাপিতে সাধারনতঃ ৬-৮ সপ্তাহ লাগে। এক্ষেত্রে ক্লায়েন্টদেরকে ব্যক্তিগত বা দলগত সেশনে ২-৩ বার করে আসতে হয়।

দি কেবিন চিয়াং মাই-এ ইন্টারনেট আসক্তির আবাসিক চিকিৎসা

দি কেবিন চিয়াং মাই

দি কেবিন চিয়াং মাই-এর সুবিধা হচ্ছে এটি সবুজ শ্যামলীমাময়, গ্রীষ্মমন্ডলীয় উপবন/মলয় ঘেরা শান্ত নির্মল নদীর তীরে অবস্থিত। একটি অনন্য/অদ্বিতীয় আবাসিক পুনর্বাসন কেন্দ্র হিসেবে তৈরি করার লক্ষ্যে আমাদের পুনর্বাসন কেন্দ্রে পশ্চিমা চিকিৎসা সেবা এবং পূর্বের বন্ধুসুলভ আতিথেয়তার সম্মিলন করা হয়েছে। গর্বের সাথে বলা যায় যে, এই কার্যক্রমের সফল সমাপ্তি হার ৯৬%। আমরা রোগীদের শারিরিক এবং মানসিক চিকিৎসাগত অবস্থার উপর গুরুত্ব দেই, কিন্তু এটি আমাদের মূখ্য উদ্দেশ্য নয় এবং এর বাইরেও আমরা সার্বিক ব্যায়ামের ব্যবস্থা রেখেছি, যা তাদের শরীর ও মনকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে। দি কেবিন চিয়াং মাই ঢাকাবাসীর জন্য নিরাপদ ও উপযোগী সুযোগ সুবিধা প্রদান করে যাতে তারা তাদের আরোগ্যের জন্য নতুন জীবন শুরু করতে পারে।

 

এখনই সাহায্য নিন

ইন্টারনেট আসক্তি চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পর্কে আরো জানতে বা বাধ্যবাধকতাহীন পরিমাপনের/এ্যাসেসমেন্টের জন্য আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন এবং দেখুন কিভাবে আমরা আপনাকে সাহায্য করতে পারি। আসক্তি থেকে মুক্তির পথে এখনই আপনার যাত্রা শুরুর জন্য এই পৃষ্ঠার উপরে ডানদিকে সংক্ষিপ্ত ফরমটি পূরণ করুন, অথবা সরাসরি আমাদেরকে ফোন করুন এই নাম্বারে +০১৭৭১৫২৮০৮৬

এখনই আমাদের ফোন করুন
+৮৮০১৭৭১৫২৮০৮৬

আমাদের পুস্তিকা ডাউনলোড করুন