Select Page

ঢাকাবাসীরা কেন দি কেবিন ঢাকা’য় বিষন্নতার ফলপ্রসূ চিকিৎসা পাবে

বিষন্নতা একটা প্রচলিত শব্দ, কিন্তু এটা বিভিন্ন ধরনের মানসিক অবস্থাকে নির্দেশ করে থাকে| সত্যিকারের বিষন্নতা রোগ এবং বিষন্নতার সমস্যার মধ্যে পার্থক্য করতে পারাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। বেশিরভাগ মানুষই জীবনের কোন না কোন সময় বিষন্নতার লৰণ অনুভব করে যেমন ˗আগ্রহের অভাব, ঘুমের সমস্যা, হতাশ চেহারা, নেতিবাচক দিকে দৃষ্টিপাত এবং কর্মশক্তি কমে যাওয়া।

সাধারনত, বিষন্নতার লক্ষণগুলো চিকিৎসা ছাড়াই ঠিক হয়ে যায় এবং কিছু সময় পরেই বা জীবন অবস্থায় কোন পরিবর্তন আসলেও পুরোপুরি চলে যায় । যারা অপেক্ষা করতে আগ্রহী না বা জীবনের পরিবর্তন আনতে অক্ষম, তাদের জন্য সাইকোথেরাপী বা কাউন্সেলিং ফলপ্রসু ও সহজ উপায় হতে পারে৷ যার মাধ্যমে তারা তাদের চিন্তাধারা এবং মনোভাবে পরিবর্তন আনতে পারে, যা একজন মানুষকে তার বিষন্ন অবস্থা থেকে বের হতে সাহায্য করে এবং পুনরায় লৰণগুলো ফিরে আসা প্রতিরোধের ব্যাপারে দক্ষ করে গড়ে তোলে।

ক্লিনিক্যাল বিষন্নতা, যা তীব্র বিষন্নতা রোগ নামেও পরিচিত । এতে ব্যক্তির স্নায়বিক এবং জ্ঞানীয় দিকে ক্ষতি হয়, যার কারণে তার বিভিন্ন দিক ˗অনুভূতি, চিন্তা-ভাবনা এবং কার্যক্রম প্রভাবিত হয়। তীব্র বিষন্নতার বহুল প্রচলিত চিকিৎসা হচ্ছে ঔষধ, বর্তমানে অনেক ধরনের ঔষধ রয়েছে এর চিকিৎসার জন্য। শুধুমাত্র ঔষধের মাধ্যমে চিকিৎসা করলে লৰণগুলো কমে যায়, কিন্তু এর আসল কারণগুলো থেকেই যায় এভাবে ঔষধের প্রতি সহনশীলতা বাড়তে থাকে এবং প্রায়ই লক্ষ ণগুলো আবার শুরু হয়।

দি কেবিন ঢাকা-তে আমরা ক্লিনিক্যাল পর্যায়ের বিষন্নতার চিকিৎসায় ব্যক্তিকেন্দ্রিক এবং সুপরিকল্পিত কগনেটিভ বিহেভিয়র থেরাপী (সিবিটি) ব্যবহার করি। কারণ এই(একক/ব্যক্তিগত) চিকিৎসা পরিকল্পনা করা হয় ক্লায়েন্টের চাহিদা, চ্যালেঞ্জ এবং সামর্থ্য অনুযায়ী। বিষন্নতার চিকিৎসায় শুধুমাত্র ওষুধ সেবনের তুলনায় সিবিটি দ্বিগুন কার্যকরী । সিবিটি প্রশিক্ষন এবং নতুন আচরন ব্যবহারের মাধ্যমে অকার্যকর চিন্তা/চিন্তার ধরন সনাক্ত করে যা নতুন, গঠনমুলক চিন্তাধারাকে উৎসাহ দেয়˗ ফলে বাস্তবিক, মানসিক স্থিরতা বৃদ্ধি পায়।

সিবিটি’র মাধ্যমে বিষন্নতা চিকিৎসার বাড়তি সুবিধা হচ্ছে, এটি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন এবং কোন মানসিক প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয় না৷ যা ঔষধ খেলে হয়ে থাকে এবং এর মাধ্যমে রোগী যে দক্ষতাগুলো শেখে তা ক্লায়েণ্টের কাছেই থাকে, যার মাধ্যমে সে ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যা এড়াতে পারবে এবং এই কৌশলগুলোতে দক্ষ হয়ে ভবিষ্যতে চিকিৎসার প্রয়োজন কমাতে পারবে। ক্লায়েন্ট থেরাপিস্ট এর কাছ থেকে শেখে, কিন্তু সুখী থাকার জন্য সে কাউন্সেলরের উপর নির্ভরশীল হয় না ।

এটাকে সংক্ষিপ্ত থেরাপী হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যদিও কগনেটিভ বিহেভিয়র থেরাপীর কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নাই । অল্প সময়ের ব্যবধানে যত সেশন দেয়া হবে, ক্লায়েন্টের রোগের লক্ষণ তত দ্রুতই কমে যেতে থাকবে এবং সে তার স্বাভাবিক কর্মক্ষম জীবনে ফিরে যাবে। সাধারনত, একজন ক্লায়েন্টের তীব্র বিষন্নতা নিয়ে পুরোপুরি কাজ করার জন্য ২ থেকে ৩ মাসব্যাপী সপ্তাহে ২ থেকে ৩ টা সেশন প্রয়োজন ।

 

এখনই সাহায্য নিন

বাধ্যবাধকতাহীন পরিমাপনের/এ্যাসেসমেন্টের জন্য আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন এবং দেখুন কিভাবে আমরা আপনাকে সাহায্য করতে পারি। আরোগ্যের পথে এখনই আপনার যাত্রা শুরুর জন্য এই পৃষ্ঠার উপরে ডানদিকে সংক্ষিপ্ত ফরমটি পূরণ করুন, অথবা সরাসরি আমাদেরকে ফোন করুন এই নাম্বারে +০১৭৭১৫২৮০৮৬

এখনই আমাদের ফোন করুন
+৮৮০১৭৭১৫২৮০৮৬

আমাদের পুস্তিকা ডাউনলোড করুন