Select Page

বাংলাদেশে দি কেবিন ঢাকায় অ্যালকোহল (মদ) আসক্তির চিকিত্‍সা

যদিও বাংলাদেশের অধিকাংশ স্থানে অ্যালকোহল নিষিদ্ধ, ১৯৭৩ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে অ্যালকোহল গ্রহণ এবং অপব্যবহার প্রায় ১০০ গুন বেড়েছেযেখানে ২০০৬ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে অ্যালকোহল ব্যবহারের বিশোধীকরন/প্রভাবমুক্তকরন মোট সংখ্যা ৪৯% বেড়েছে। সারাদেশে মদ্যপানকারীদের মধ্যে প্রায় ২০% অতিমাত্রায় মদ্যপানকারী পাওয়া গেছে, যাতে বোঝা যায় অ্যালকোহল আসক্তি চিকিত্‍সার প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে ।

শখে মাঝে মাঝে মদ্যপান কখন আসক্তি হয়ে যাচ্ছে এটা লক্ষ্য করা কঠিন হতে পারে, বিশেষ করে বাংলাদেশে যেখানে মানুষ মদ্যপানের প্রতিক্রিয়ার সাথে পরিচিত নয়। মদ্যপানকারীরাই সেই ধরনের ক্লায়েন্ট যারা আসক্তি ডিটক্স এবং নিরাময়ের জন্য কেবিন ঢাকায় আসবেন।

অনেক ক্লায়েন্টদের ক্ষেত্রে অ্যালকোহল অপব্যবহার চিহ্নিত করা কঠিন হতে পারে।কারনতাদের অনেক সমবয়সীরা সামাজিকভাবেই পান করে খুব সামান্যই নেতিবাচক ফল পায়। যে দেশে মদ্যপান কঠোরভাবে নিষিদ্ধ, সেখানে মদ্যপান সমস্যায় থাকা অনেকেই তাদের সমবয়সীদের কাছ থেকে আলাদা হওয়ার ভয়ে তা আড়াল করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে, যা অ্যালকোহল/মদে আসক্তি খুঁজে বের করাটাকে আরও কঠিন করে তোলে।

যখন মদ্যপান আর নিজের ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল থাকে না এবং জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করে তখন ক্ষতিকর অনেক দিক দেখা যায়। –

  • কর্মক্ষমতা, উপস্থিতি ও সন্তুষ্টিতে কাঠিন্য
  • পরিবার ও সামাজিক সম্পর্কে প্রতিবন্ধকতা বা পরিহার
  • অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতা
  • শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি বা সাধারন শারীরিক অবস্থার অবনতি
  • বিষন্নতা, বিচ্ছিন্নতা, রাগ, অনাগ্রহ এবং অসহায়ত্ব

প্রতিটি মানুষ যেমন আলাদা, ঠিক তেমনি অ্যালকোহল সেবনের ধরণও ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয়ে থাকে। কিছু মানুষ প্রতিদিনই মদ্যপান করার মাধ্যমে তার আসক্তি নিবারণ করে, কিন্তু সাধারণত এই পান করাটা মাত্রাতিরিক্ত হয়না। একে বজায় রাখা পান করা বলা হয় এবং এটা বিস্মৃতি হয়ে যাওয়া থেকেও উইথড্রল (মদ্যপান বন্ধের কারণে সৃষ্ঠ লক্ষনসমূহ) পরিহার করাটা এখানে বেশী গুরুত্বপূর্ণ। কেউ কেউ কিছু দিন বা সপ্তাহ মদ্যপান না করেও থাকতে পারেন, কিন্তু যদি একবার শুরু করেন তাহলে তা বন্ধ করতে সমস্যা হয় এবং এমনও হয় যে তারা দু থেকে তিনবার বেশী বেশী মদ্যপান করে ফেলেন, এমনকি মাতালও হয়ে যান। যারা বহু আসক্তিতে নির্ভরশীল হিসাবে পরিচিত, অর্থাৎ দুই বা ততোধিক নেশাদ্রব্যের মধ্যে অন্তত একটি অ্যালকোহল বা মদ থাকে। এরা সাধারণত একটি থেকে আরেকটি নেশা গ্রহন করে বা ছেড়ে দেয়, কিন্তু খুব কমই দেখা যায় যে, তারা কোন ধরণের নেশা ছাড়া কিছু সময় পার করছে।

ঢাকাবাসী দি কেবিন ঢাকা-থেকে অ্যালকোহল/মদ আসক্তির ফলপ্রসু চিকিৎসা কেন খুঁজে পাবেন

অ্যালকোহল আসক্তি হতে মুক্তি এবং ডিটক্স প্রক্রিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং এগুলো শুধুমাত্র অভিজ্ঞ পেশাজীবির সাহায্যেই গ্রহণ করা উচিত। মদ্যপান বন্ধ পরবর্তী (উইথড্রোল) যে সকল লক্ষণগুলো দেখা দেয় তা মারাত্মক বিপদজনক এবং যদি এসময় সঠিকভাবে দেখাশোনা না করা হয় তাহলে খিঁচুনী, হার্ট অ্যাটাক, এমনকি মৃত্যুরও সম্ভাবনা থাকে । ‘দি কেবিন ঢাকা’তে আমরা একজন মনোচিকিৎসক/সাইকিয়াট্রিস্ট-এর সাথে মিলে কাজ করি যিনি মদ্যপান বন্ধ পরবর্তী লক্ষণগুলোর ঝুঁকিঅস্বসত্মি কমাতে ওষুধ দিয়ে থাকেন এবং এমনকি সাময়িকভাবে হাসপাতালে ভর্তি করানোর ব্যপারেও সহায়তা করে থাকেন (যদি প্রয়োজন পড়ে)।

ক্লায়েণ্টের মদ্যপান বন্ধ পরবর্তী /উইথড্রয়াল লক্ষণগুলো শেষ হলে, দেরী না করে তার চিকিৎসার জন্য যে প্রোগ্রামগুলো আছে সেগুলো চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। এমনকি হাসপাতালে ভর্তি ক্লায়েন্টদের হাসপাতাল থেকে ছুটি/রিলিজের পূর্বেই তাদের সঙ্গে কাউন্সেলিং শুরু করে দেয়া যায়। আমাদের কগনেটিভ-বিহেভিয়র থেরাপী এবং আসক্তি বিরতির (এবস্টিনেন্স) সমন্বিত কাউন্সেলিং মডেল ক্লায়েন্টকে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে তার মদ্যপানে আসক্তি সৃষ্টির প্রক্রিয়া,ঝুঁকি এবং তাৎক্ষনিক সৃষ্টচাপ।যা তাকে পুনঃআসক্তির দিকে নিয়ে যেতে পারে, আসক্তি মুক্তির লক্ষ্যগুলো বুঝতে, অভিযোজন উপযোগী নতুন দক্ষতা অর্জন করতে এবং আসক্তি মুক্তির প্রোগ্রাম তৈরি করতে, যা অনুসরন করলে অ্যালকোহল/মদ আসক্তির পাশাপাশি এ সম্পৃক্ত অন্যান্য আসক্তিও প্রতিরোধ করে। বেশীরভাগ সংস্কৃতিতে মদ্যপান এতটাই প্রচলিত যে, একজন ক্লায়েন্ট কিভাবে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি এড়িয়ে এবং নতুনভাবে ফিরে এসে ’স্বাভাবিক পৃথিবীতে’ চলতে পারে তার উপর আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকি।

গোপনীয়, পেশাগত এবং সহজগম্য অ্যালকোহল আসক্তি চিকিৎসাঃ

দি কেবিন ঢাকা বিশেষত আসক্তির চিকিৎসা প্রদানে বিশ্বমানের, কার্যকর যা লাইসেন্সপ্রাপ্ত পেশাদারদের দিয়ে স্বতন্ত্র এবং গোপনীয় বহির্বিভাগীয় পূণর্বাসন সুবিধা দিয়ে থাকে। আমরা ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে সুবিধাজনক একটা জায়গায় অবস্থিত। আমাদের বেশিরভাগ ক্লায়েন্টরা পূর্ণদিবস চাকরি করেন এবং বিভিন্ন ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা থাকে বলে আমরা আমাদের চিকিৎসা সেবাগুলোকে তাদের জীবনব্যবস্থার সাথে মানিয়ে তৈরী করেছি।

যে সকল ক্লায়েন্টরা আবাসিক পূনর্বাসন চান ˗তাদের জন্য রয়েছে উত্তরাঞ্চলীয় থাইল্যান্ডের চিয়াং মাই-এ দ্রুত ভর্তি হওয়ার ব্যবস্থা।

বাংলাদেশে অ্যালকোহল আসক্তির জন্য আবাসিক পূণর্বাসনঃ

দি কেবিন চিয়াং মাই

দি কেবিন চিয়াং মাই একটি বিলাসবহুল রিসোর্টের মত ব্যবস্থা যেখানে ঢাকা থেকে সরাসরি ফ্লাইটে সহজেই পৌঁছানো যায়। উচ্চঅভিজ্ঞতাসম্পন্ন এবং লাইসেন্সধারী কাউন্সেলর এবং মনোবিজ্ঞানীদের দল ছাড়াও যেসব ক্লায়েন্টদের মেডিকেল তদারকি দরকার তাদের ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করার জন্য এখানে রয়েছে ২৪ ঘন্টা সেবাদানকারী নার্স ও ডাক্তারদের দল । ব্যক্তিগত সুস্থতা এখানে দৈনিক চিকিৎসা কার্যক্রমের একটা প্রধান অংশ, পাশাপাশি মাইন্ডফুলনেস অনুশীলনের উপর বেশ গুরুত্ব দেয়া হয়। বিশ্ব˗সমাদৃত থাই আতিথেয়তা, চমৎকার সেবার জন্য অত্যন্ত সফল এই চিকিৎসা কার্যক্রমের সর্ম্পূনতার হার ৯৬% (প্রমানিত)।

এখনই সাহায্য নিন

মদ্যপানে আসক্তির চিকিৎসা সর্ম্পকে আরো জানতে চাইলে অথবা বাধ্যবাধকতাহীন পরিমাপনের/এ্যাসেসমেন্ট-এর জন্য আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন এবং দেখুন কিভাবে আমরা আপনাকে সাহায্য করতে পারি। আরোগ্যের পথে আপনার যাত্রা শুরুর জন্য এখনি এই পৃষ্ঠার সবচেয়ে উপরে ডানদিকে সংক্ষিপ্ত ফরমটি পূরণ করুন, অথবা সরাসরি আমাদেরকে কল করুন এই নাম্বারে +০১৭৭১৫২৮০৮৬

এখনই আমাদের ফোন করুন
+৮৮০১৭৭১৫২৮০৮৬

আমাদের পুস্তিকা ডাউনলোড করুন